12 foods that should be added to the winter food list

শীতকালের খাবার তালিকায় যে ১২ টি খাবার যোগ করা উচিত 12 foods that should be added to the winter food list

বাংলাদেশে এখন শীতকাল। এই সময়ে প্রকৃতির সাথে সাথে আমাদের শরীর ও মনের মধ্যেও আলাদা একটা পরিবর্তন কাজ করে। ঋতু পরিবর্তনের কারনে এই সময়ে বাংলাদেশে নতুন নতুন, ফল সবজিরও দেখা মেলে। সুস্থ থাকতে বছরের সব সময়ই পরিমিত পরিমাণ সুষম খাবার গ্রহণ করা উচিত। তো প্রিয় ভিজিটর, যেহেতু শীতকাল বছরের অন্যান্য ঋতুর চেয়ে কিছুটা আলাদা সেহেতু শীতকালে খাবার তালিকায় কি একটু পরিবর্তন আনা উচিত না? winter food list

winter food list

12 foods that should be added to the winter food list

হ্যা অবশ্যই। কারন শীতের স্নিগ্ধতা উপভোগ করার পাশাপাশি আমাদের শক্তিশালী ইমিউনিটি সিস্টেম গড়ে তোলার কথাও মনে রাখতে হবে। winter food list

সম্মানিত ভিজিটর, চলুন আজকের লেখাজুড়ে জেনে নেওয়া যাক শীতকালে শরীর সুস্থ ও উষ্ণ রাখতে খবার তালিকায় কোন কোন খাবার থাকা উচিত ও এদের গুরুত্ব। winter food list winter fruits

১. খেজুর Dates

khejur

খেজুরের উপকারিতার কথা জানা নেই এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। এতে রয়েছে আঁশ, ভিটামিন, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক। বিশেষজ্ঞদের মতে মানুষের শরীরের মোট আয়রনের চাহিদার ১১ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম। এটা অনেকটা ক্যাপসুলের মতো। যারা শরীরের ফিটনেস নিয়ে সচেতন তাদের নিয়মিত খাবারের তালিকায় নিয়মিত খেজুর রাখা উচিত। নিয়মিত খেজুর খাওয়া আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যোগানের পাশাপাশি শরীরকে উষ্ণ রাখে। অনলইন ডসক

২. মুক্তা বাজরা Pearl buckwheat

কি একটু অবাক হয়ে গেলেন? অনেকেই হয়তো বাজরার নাম এই প্রথম শুনলেন। হ্যা একটু অনলাইনে সার্চ করলেই বিস্তারিত জানতে পারবেন। চর্বি, প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ মুক্তা বাজরা আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রনের উৎসগুলরে মধ্যে এটি অন্যতম। নিয়মত সেবনে আপনার শরীরের হাড়গুলো শক্তিশালী করবে এবং আপনাকে অলসাতা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করবে। শত সসথ থকত

How to Invest in a Small Business for Long Term Revenue Growth 2022

৩. গাঢ় সবুজ শাক Dark greens

আপনি জানেন কি যে, পাতাযুক্ত সবজির রঙ যত গাঢ় হয় তার পুষ্টি ততো বেশি। গাঢ় সবুজ শাক সবজি তে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, লৌহ এবং পটাশিয়াম থাকে। যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। শীতকাল ও অন্যান্য ঋতুতে খাবার তালিকায় গাঢ় সবুজ শাক সবজি রাখার চেষ্টা করুন। winter food list ডসক অনলইন

আচরযকত পযজ ফট সহ শতকলন, পরসতত উপকরণ,  শতর জনয আচরযকত পযজ ফট,

৪. আখরোট winter food list

আখরোট একধরণের বাদাম জাতীয় ফল। জল খাবার হিসেবে আখরোটের জনপ্রিয়তা বেশ পুরাতন। পাশাপাশি এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান। আখরোটে রয়েছে সামান্য পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট ও অধিক ফাইবার। একটি আখরোটে ৬৫ শতাংশ ফ্যাট ও ১৫ শতাংশ প্রোটিন রয়েছে। দুধ ও মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে এর পুষ্টিগুন কয়েকগুন বেড়ে যায়। পাশাপাশি এটি মানসিক চাপ, অবসন্নতা দূর করতে এবং winter food list

zombie catchers mod apk (MOD, Unlimited Dollars) 1.30.21 free on android

5. শালগম Turnip

শীতকালে যেসকল সবজি পাওয়া যায় এর মধ্যে শালগম অন্যতম। অনেকেই একে তাচ্ছিল্য করে, খেতে চায় না। বিশেষ করে তথাকথিত আধুনিক ছেলে পেলে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, শালগম শুধু মাত্র আপনার কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমকে উন্নত করে না বরং এটি আপনার হাড়কে শক্তিশালী করার পাশাপাশি হজম শক্তি উন্নত করে। winter food list

আপনি দেখে থাকবেন শীতকালে বাতাসে অন্যান্য ঋতুর তুলনায় বেশি ধুলাবালি থাকে। আর এর ফলে দূষিত পদার্থ সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। স্টার্চ সমৃদ্ধ শালগম চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি এটি আমাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। winter food list

6. ডিম ও মাছ Eggs and fish

পুষ্টিকর খাবারের নাম মুখে আনলে বিশেষ করে বাংলাদেশীদের মুখে থেকে ডিম ও মাছের কথা বের হবে না এটা ভাবাই যায় না। একটি ডিমে প্রায় ১২.৫৬ গ্রাম প্রোটিন ও ৯.৫২ গ্রাম ফ্যাট থাকে। পাশাপাশি এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, আয়রন ও ভিটামিন। যা বিশেষ করে শিশুদের হাড় শক্ত করে ও দৈহিক বৃদ্ধিতে এবং মেধার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অপরদিকে মাছে প্রোটিনের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন যেমন ভিটামিন এ, ডি, এবং ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম, আয়োডিন রয়েছে। winter food list

7. সাইট্রাস ফল Citrus fruits

একটি মাত্র সাইট্রাস ফল সেবনে সারাদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণে সক্ষম। আর সাইট্রাস ফল শীতকালে সবচেয়ে বেশি রসালো হয়। শীতকালে খাবার তালিকায় ফ্ল্যাভোনয়েড সমৃদ্ধ এগুলি আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের স্বাস্থ্যকর অনুপাত বজায় রাখে। শীতকালে খাবার তালিকায় কমলা, লেবু, আঙুর এর মতো সাইট্রাস ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৮. মিষ্টি আলু Sweet potatoes

মিষ্টি আলু উচ্চ ফাইবার, ভিটামিন ও পটাসিয়ামের অন্যতম সেরা উৎস। কম ক্যালোরি ও বেশি পুষ্টিগুণ থাকায় এটি আমামদের পেটের জন্য বেশ উপকারী। মিষ্টি আলু কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে এবং হজম শক্তি উন্নত করে। পাশাপাশি এটি আমামদের পেটের প্রদাহ কমাতেও ভূমিকা পালন করে। তাই শীতকালে খাবার তালিকায় মিষ্টি আলু রাখার চেষ্টা করুন। winter food list

৯. অ্যাভোকাডো Avocado

অ্যাভোকাডোর উপকারিতা  নিয়ে upay tips বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। পুষ্টিগুণে ভরপুর অ্যাভোকাডো আমাদের দেহকে সোডিয়াম, সুগার এবং কোলেস্টেরল মুক্ত রাখে। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত ফ্যাট যা আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখে। ক্যান্সার ও কোলস্টেরল নিয়ন্ত্রনে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। winter food list আচরযকত পযজ শতর জনয

১০. কুসুম গরম দুধ Kusum hot milk

দুধ ও দুধ জাতীয় অন্যান্য খাদ্য যেমন দই , পনির ইত্যাদি শীতের জন্য অত্যন্ত দারুণ খাবার। কারন এতে রয়েছে পচুর পরিমাণ ভিটামিন বি ১২, এ, প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম যা একজন মানুষের স্বাস্থ্য বাড়িয়ে তোলার পাশাপাশি সুস্থ থাকতেও সাহায্য করে। আপনি যদি খেয়াল করেন তবে দেখতে পাবেন আপনার আশেপাশে অনেকেই বিশেষ করে শীতকালে ঠাণ্ডা সর্দিতে আক্রান্ত হয় এমনকি আপনি নিজেও হতে পারেন। দিনে ২ বার ঘন কুসুম গরম দুধ পান আপনাকে এ থেকে মুক্তি দিতে পারে। তবে পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধের পরিবর্তে স্কিমড বা আধা-দক্ষ দুধ পান বেছে নিন। আর কম ক্যালরি গ্রহণ করতে চাইলে আপনি দধি পান খেতে পারেন।

১১. ব্রকলি Broccoli

সাম্প্রতিক সময়ে ব্রোকলির জনপ্রিয়তা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছেল এতে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধী বিটা ক্যারোটিন, সেলিনিয়াম যৌথ ও ভিটামিন সি। যা প্রোস্টেট, কোলন, ফুসফুস, স্তন ও প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে ভিটামিন এ থাকায় স্কিনে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে বাঁচায়। winter food list

১২. বেশ বেশি পানি পান Drink more water

পানির অপর না জীবন। শীতকাল কিংবা গ্রীষ্মকাল সব সময়েই শরীরের জন্য পর্যাপ্ত পানির প্রয়োজন। দিনে অন্তন ৩-৪ লিটার পানি পান করুন। অন্যথায় আপনার স্কিনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিবে।

শীতে সুস্থ থাকতে খান এগুলো Eat these to stay healthy in winter

চলে যাওয়ার আগে বেশ জেঁকে বসেছে শীত। খাবার তালিকায় এমন কিছু খাবার রাখুন যা শীতকালীন নানা রোগ থেকে দূরে রাখবে।

শুকনো ফল Dried fruit
শুকনো খাবারে প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে, যা শরীরে শক্তি জোগাবে প্রচুর। তাই শীতে খেজুর ও এ জাতীয় শুকনো ফল খান। সকালের নাস্তায় খেজুর খাওয়ার পর দুধও পান করতে পারেন।

মাটিতে জন্মানো সবজি
মাটিতে যেসব সবজি উৎপন্ন হয়, যেমন রসুন, পেঁয়াজ, মূলা, গাজর, আলু এসব সবজি বেশি করে খান। কারণ এসব খাবার হজম হতে সময় নেয়, যা শরীরে তাপ সৃষ্টি করে। আর এর মাধ্যমে শরীর গরম থাকে।

ঘি দিয়ে রান্না করা খাবার
শীতের এই মৌসুমে রান্নার তেলের বদলে ঘি ব্যবহার করতে পারেন। ঘিয়ে যে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে তা শরীর গরম রাখে প্রাকৃতিকভাবে। ঘি আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রমতেও একটি উপকারী খাবার। তবে উচ্চ রক্তচাপের রোগী বা যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন ঘি।

মধু
শীতের এই মৌসুমে মধু খাওয়ার চেষ্টা করুন নিয়মিত। সকালে গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। অথবা অন্য খাবার বা সালাদের ড্রেসিংয়েও মধু যোগ করতে পারেন। মধুতে প্রচুর পুষ্টিগুণ আছে। এছাড়া এটি আমাদের শরীর অনেকক্ষণ গরম রাখে।

মসলা
শীতে আদা, লবঙ্গ, দারুচিনি, এলাচ খাবারের সাথে যোগ করুন, এতে শরীর গরম থাকবে। এসব মসলা দিয়ে চা বানিয়েও পান করতে পারেন।

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার
শীতে পর্যাপ্ত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে ভুলবেন না। মুরগি, চর্বি ছাড়া মাংস, মাছ, ডিম এসব খাবার তালিকায় রাখুন সব সময়। এসব খাবার শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে ও শরীর সুস্থ রাখতে খুব সহায়ক।

us bangla airlines job circular

তথ্যসূত্র: পিংকভিলা ডট কম  

শীতে যেসব খাবার শরীর ও মন চাঙ্গা করবে

প্রকৃতিতে শীত আসন্ন। প্রকৃতির সাথে সাথে শরীর ও মনেও আসবে পরিবর্তন। মৌসুমের পরিবর্তনে সেই সাথে আমাদের খাবারের তালিকায়ও আসবে রদবদল। শীতের দিনে এমন খাবারগুলো তালিকায় রাখা উচিত যা শরীর ও মন দুটোই ভালো রাখে। শরীর সুস্থ রাখার জন্য শীতকালে আপনি বেছে নিতে পারেন এমন কিছু খাবার-

কমলা: আপনি খেয়াল করবেন যে শীতের সময়ে পাওয়া সাইট্রাস ফলগুলো বেশি মিষ্টি এবং রসালো। তাই কমলা খাওয়ার উপযুক্ত সময় শীত। কমলাতে যে ভিটামিন সি রয়েছে তা আপনাকে প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে ও সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করবে। শীতকালে যেহেতু ফ্লু এর পরিমাণ বেশি থাকে সেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে কমলা।

আদা: আমাদের তরকারি রান্না থেকে শুরু করে চা পর্যন্ত, আদা একটি বহুমুখী উপাদান যা একাধিক উপায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। ঠান্ডা ও ফ্লু এর অন্যতম প্রতিকার থাকে আদায়। আদাতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা গলা ব্যথা প্রশমিত করতে পারে এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। শীতকালে প্রায়শ সর্দি, কাশি লেগেই থাকে সেক্ষেত্রে ওষুধ হিসেবে কাজ করে আদা। শীতকালে আপনার ডায়েটেও আদা যোগ করা উচিত।

ব্রকলি: শীতের সময় বাজারে ব্রকলি ছেয়ে যায়। ব্রকলির গুণের কথা এক কথায় বলে শেষ করা যাবে না। ভিটামিন মিনারেলের পাওয়ার হাউজ বলা হয় ব্রকলিকে। ব্রকলিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি,কে,এ এবং ভিটামিন বি-৯ রয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় মিনারেলস যেমন,পটাশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। নিয়মিত ব্রকলি খেলে আপনি সর্বদা সুস্থ থাকবেন এবং যে কোনও ভিটামিনের ঘাটতিতে ভোগার ঝুঁকি থাকবে না। ব্রোকলিতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টগুলি আমাদের কোষের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দেয় এবং আমাদের অঙ্গগুলো যেনো সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারে তা নিশ্চিত করে।

বিটরুট: শীতকালে হাতের নাগালেই পাওয়া যায় বিটরুট। এর উজ্জ্বল লাল রঙ ও মিষ্টি স্বাদের জন্য বিটরুট পরিচিত। উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন এমন রোগীদের ক্ষেত্রে যাদুকরী ভূমিকা পালন করে বিটরুট। একইভাবে, যারা নিয়মিত পরিশ্রম করেন তাদের জন্যও নাইট্রেট খাওয়া ভাল, কারণ এটি মাইটোকন্ড্রিয়ার কার্যকারিতা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং আপনাকে আরও শক্তিশালী বোধ করতে পারে।

শুকনো ফল: খেজুর, অ্যাপ্রিকট এবং অন্যান্য শুকনো ফল আপনার শরীরের যন্ত্রসমূহকে গরম ও স্বাভাবিক রাখবে।

 

সর্বশেষ

প্রিয় ভিজিটর আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। সুস্থ থাকতে নিয়মিত খাবার খাওয়ার পাশাপাশি ব্যায়াম , পরিমিত ঘুমও প্রয়োজন। নিয়মিত সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করুন। অসাধু পথে অর্থ উপার্জন করে খাবার খেলে তাতে সাময়িক সুফল পেলেও এর পরিনতি ভয়াবহ। হালাল টাকায় আহার যোগাড় করার চেষ্টা করুন। আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.