আর্টিকেল লেখার নিয়ম: কন্টেন্ট রাইটিং টিপস Article writing bangla triks

Article writing bangla triks হাই কোয়ালিটি আর্টিকেল ব্লগিং করে আয় করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন বিষয়। ভাল মানের আর্টিকেল ছাড়া কখনোই আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর ধরে রাখতে পারবেন না। একটি পুর্নাঙ্গ হাই কোয়ালিটি আর্টিকেল লেখার সব নিয়ম সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা হবে। ব্লগিং করতে হলে আর্টিকেল লেখার নিয়ম সম্পর্কে অবশ্যই আপনার ভালোভাবে জানতে হবে।

Article writing bangla triks

হাই কোয়ালিটি আর্টিকেল লেখার নিয়ম

আর্টিকেল লিখতে গিয়ে প্রথমেই আমরা যে ভুলটা করি তা হল, পাঠকদের কাছে কি উদ্দেশ্যে লিখছি তা শনাক্ত করার আগেই লেখা শুরু করে দেই। কখনোই এমনটা ভাবা যাবে না যে, আগে লিখি পরে না হয় পাঠকরা আসবে। আর্টিকেল লেখার আগে আপনার পাঠক কারা তা ঠিক করুন এবং তাদের চাহিদা সম্পর্কে জানুন।

আপনার আর্টিকেলের টপিক সিলেক্ট করা হয়ে গেলে পাঠকের চাহিদা অনুযায়ী স্পেসিফিক টপিক নিয়ে লিখুন। ভাল করে রিসার্চ করে নিন। আপনার টপিক নিয়ে অন্যান্য লেখাগুলো পড়ে তাদের লেখায় কি কি গ্যাপ আছে খুজে বের করুন। এমন কিছু লিখবেন না যা অন্য কেও লিখে রেখেছে। আর্টিকেলে আপনার সৃজনশীলতা ফুটিয়ে তুলুন। ধাপে ধাপে সবকিছু ব্যাখ্যা করুন। আপনার লেখাটি পড়ে যেন ভিজিটর একটা ডিসিশন এ পৌঁছাতে পারে এমনভাবে লিখুন।

আর্টিকেলই হচ্ছে সে যাকে ওয়েবসাইটের কিং বলা হয়। তার মানে কিং ঠিক না থাকলে আপনার ওয়েবসাইটের কিচ্ছু ঠিক নাই। যেহেতু আপনার আর্টিকেল লেখার মূল উদ্দেশ্য হল আপনার লেখাটি অনেক মানুষ পড়বে এবং শেয়ার করবে, সেহেতু কিছু নিয়ম কানুন মেনে আর্টিকেলটি লিখতে হবে। হাই কোয়ালিটি আর্টিকেল লেখার নিয়ম গুলোকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যা আপনাকে অবশ্যই মানতে হবে।

আর্টিকেল লিখার আগেঃ

১। ইনফরমেটিভ এবং আই ক্যাচি টাইটেল

কেননা টাইটেল ভাল না হলে ক্লিক কম পরবে। গুগলে র‍্যাঙ্কিং হারাবেন। তাই প্রথমে একটা ভাল টাইটেল সিলেক্ট করতে হবে। একজন ভিজিটরের চোখে প্রথমেই যেটা পরে তা হল টাইটেল। টাইটেল দেখেই ভিজিটর ডিসিশন নেয় আপনার আর্টিকেল পড়বে কি পড়বে না। Article writing bangla triks

২। ফিচার ইমেজ

আপনার আর্টিকেলে অবশ্যই একটা ভাল ফিচার ইমেজ থাকতে হবে। ফিচার ইমেজ আপনার আর্টিকেলের প্রতি পাঠকের মনোযোগ আকর্ষন করবে। ফিচার ইমেজ ভাল হলে আপনার আর্টিকেলে ক্লিক বেশি পরবে।

৩। ক্যাটাগরি

আর্টিকেলে অবশ্যই একটা ক্যাটাগরি ম্যানশন করে দিতে হবে। একটা ভাল মানের আর্টিকেলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল ক্যাটাগরি উল্লেখ করা। তাই আপনার আর্টিকেলের ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে দিন।

আর্টিকেল লিখার সময়ঃ

১। ইন্ট্রো

আর্টিকেলের শুরুতে সংক্ষেপে লিখে দিতে হবে আপনি কি লিখতে যাচ্ছেন। সর্বোচ্চ ১০০ শব্দের মধ্যে অবশ্যই আপনার আর্টিকেল সম্পর্কে কিছু ইনফরমেশন লিখে দিবেন। ইন্ট্রো এমনভাবে লিখুন যা দেখে পাঠক পুরো আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আগ্রহী হয়। সহজভাবে ভাবুন একটা মুভির ট্রেইলার দেখে পছন্দ না হলে ওই মুভিটা কিন্তু কেউ দেখতে চাইবে না।

২। ডেসক্রিপশন Article writing bangla triks

যখন লেখা শুরু করবেন সবসময় চেষ্টা করবেন ছোট ছোট প্যারায় ভাগ করে লিখতে। কোন একটা প্যারা যেন ১০০শব্দের বেশি না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। আর্টিকেল সবসময় সহজ ভাষায় এবং ছোট ছোট বাক্য ব্যবহার করে লিখতে হবে ।

৩। সাবহেডিং ট্যাগ

আর্টিকেলের মাঝখানে h2 অথবা h3 ট্যাগ অবশ্যই আনবেন। একটা সাবহেডিং অবশ্যই ব্যবহার করবেন যেটাতে আপনার মেইন কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। লেখার মাঝখানে কখনো প্রয়োজন হলে বুলেট পয়েন্ট অথবা নাম্বারিং ব্যবহার করবেন। এতে আপনার আর্টিকেলের সৌন্দর্য বাড়বে।

৪। অরিজিনাল আর্টিকেল

আর্টিকেল সবসময় অরিজিনাল এবং ইউনিক লেখবেন। যদি লিখার মতো দরকারী কিছু না থাকে তবে একেবারেই লিখবেন না। আর্টিকেল লিখার জন্য কখনো অন্যের আর্টিকেল পড়ে আইডিয়া নিতে যাবেন না। তাহলে আপনি কখনোই ইউনিক এবং অরিজিনাল আর্টিকেল লিখতে পারবেন না। কখনো কপি করে কিছু লিখবেন না। আর্টিকেল লিখার সময় কোন ইনফরমেশন দরকার হলে তা গুগল থেকে দেখে নিতে পারেন। অবশ্যই শতভাগ সঠিক ইনফরমেশন দিবেন। গুরুত্বপুর্ন রিসোর্চের সাথে লিংক ব্যবহার করুন। Article writing bangla triks

৫। আর্টিকেলের লেন্থ

আর্টিকেল যত বেশি ডিটেইলস লিখতে পারেন তত ভাল। অবশ্যই ১০০০ শব্দের কম লিখবেন না। সবসময় বেশি লেখার চেষ্টা করবেন। ১০০০ শব্দের নিচে পুর আর্টিকেল কখনো পাবলিশ করবেন না। আর্টিকেল বড় করে লিখতে গিয়ে আবার অসামাঞ্জস্যপুর্ন কিছু লেখা যাবে না। সহজ ভাষায় সহজ বাক্য ব্যবহার করে আর্টিকেল লিখুন যাতে সবার বুঝতে সুবিধা হয়। আপনার আর্টিকেলটি সবসময় ইনফরমেটিভ করে তোলার চেষ্টা করুন। কারন এটাই হাই কোয়ালিটি আর্টিকেল এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

আর্টিকেলটি একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে ই লেখবেন। যে টপিক লিখছেন তার বাইরে কিছু লিখে পাঠকের মনোযোগ অন্যদিকে নেয়ার চেষ্টা কখনো করবেন না। উচ্চমান সম্পন্ন আর্টিকেল লিখে আপনার পাঠকের কাছে বিশ্বাস অর্জন করুন। কোন একজন পাঠক আপনার আর্টিকেল পড়ে যদি আপনার উপর খুশি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আপনার লেখা আরো পড়তে চাইবে। যা আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার ডেভেলপ করতে সাহায্য করবে।

গুগল সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি আর্টিকেলের নির্দিষ্ট কিছু গাইডলাইন আছে যা গুগল ওয়েবমাস্টারে

বলে দেয়া আছে।

ব্যাসিক প্রিন্সিপাল

  • আপনার আর্টিকেলটি পাঠকদের জন্য তৈরি করুন, সার্চ ইঞ্জিনের জন্য নয়।
  • পাঠকদের সাথে কখনোই প্রতারণা করবেন না।
  • সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাঙ্কিং এর কৌশলগুলো পরিহার করুন। থাম্বের একটি ভাল নিয়ম হ’ল আপনি নিজের সাথে প্রতিযোগিতা করে এমন একটি ওয়েবসাইটের প্রতি বা গুগল কর্মচারীর সাথে আপনি কী করেছেন তা ব্যাখ্যা করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন কিনা। আরেকটি দরকারী পরীক্ষাটি হ’ল জিজ্ঞাসা করা, “এটি কি আমার পাঠকদের সহায়তা করে? সার্চ ইঞ্জিনগুলি না থাকলে আমি কি এটি করতাম?”
  • আপনার ওয়েবসাইটটি কিভাবে ইউনিক, মূল্যবান বা আকর্ষকনীয় করে তোলা যায় তা ভেবে দেখুন। আপনার ওয়েবসাইটটিকে আপনার ক্ষেত্রে অন্যের থেকে আলাদা করুন। Article writing bangla triks

স্পেসিফিক গাইডলাইন Article writing bangla triks

এই টেকনিক গুলো পরিহার করুন

  • অটোমেটিকেল্লি জেনারেটেড কন্টেন্ট
  • লিংক স্কিমগুলিতে অংশ নেয়া (পেইজ র‍্যাঙ্কিং এর জন্য লিংক ব্যবহার করা)
  • অরিজিনাল কন্টেন্ট ছাড়া এবং টাইটেল দিয়ে পেইজ তৈরি করা
  • ক্লোকিং (বিভিন্ন কন্টেন্ট বা ইউআরএল হিউম্যান ইউজার এবং সার্চ ইঞ্জিনের কাছে উপস্থাপন করা)
  • স্নিকি রিডাইরেক্টস (ভিজিটরের প্রত্যাশিত লিংক বাদে অন্য লিঙ্কে পাঠানো)
  • হিডেন টেক্সট অথবা লিংক
  • ডোরওয়ে পেইজ (র‍্যঙ্কিং এর জন্য পেইজ তৈরি করা)
  • স্ক্র্যপড কন্টেন্ট
  • এফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হওয়া মুল্যমান যোগ না করেই
  • অসংগতিপুর্ন কিওয়ার্ড দিয়ে পেইজ লোড করা
  • বিদ্বেষপরায়ণ আচরণ সহ পেইজগুলি তৈরি করা, যেমন ফিশিং বা ভাইরাস, ট্রোজান বা অন্যান্য ব্যাডওয়্যার ইনস্টল করা
  • স্ট্রাকচার্ড ডাটা মার্কআপ অপব্যবহার করা
  • গুগলে অটোমেটিক অনুসন্ধান পাঠানো

ভাল প্র্যাকটিসগুলো অনুসরন করুন

  • আপনার সাইটটি হ্যাকিং এর জন্য পর্যবেক্ষন করুন এবং হ্যাক করা কন্টেন্টগুলো সাথে সাথে সরিয়ে ফেলুন
  • আপনার সাইটে স্প্যামারদের প্রতিরোধ করুন এবং স্প্যামিং গুলো সরিয়ে ফেলুন

আরো পড়ুনঃ এবার পাসওয়ার্ড ছাড়াই যেকোনো ওয়াইফাই চালান

বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়মঃ

বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম একটি ওয়েবসাইটের প্রাণ হলো ভিজিটর। ভিজিটর না থাকলে সেই ওয়েবসাইটকে ঘরে পড়ে থাকা ব্যক্তিগত ডায়রির সাথেই তুলনা করা যায়। ওয়েবসাইটে বিভিন্ন উপায়ে মার্কেটিং করে ভিজিটর বাড়ানো যায়। কিন্তু আপনার ওয়েবসাইটে যদি তথ্যপূর্ণ ভালো মানের কন্টেন্ট থাকে তাহলে গোগল, বিং ইত্যাদি সার্চ ইঞ্জিন থেকে এমনিতেই অর্গানিক ভিজিটর পাওয়া যায়। সে হিসেবে কন্টেন্ট হলো একটি ওয়েবসাইটের বড় সম্পদ। কিন্তু কন্টেন্ট যেন তেন ভাবে আগডুম বাগডুম যা খুশি তাই লিখলেই চলবে না। কন্টেন্ট লেখার কিছু নিয়ম এবং কলা কৌশল আছে। বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম জানা থাকলে আপনি সহজেই আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর পেতে পারেন তাই আজ আমি বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আর্টিকেল লেখার সময় বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হয়। আপনি যদি ভালো মানের একজন কন্টেন্ট রাইটার হতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।

কন্টেন্ট কি?

আমরা ইন্টারনেটে যেকোনো ওয়েবসাইট ভিজিট লেখা, ছবি, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি পড়ি, দেখি এবং শুনি এগুলোই হলো কন্টেন্ট। যেকোন লেখাকে বলা হয় টেক্সট কন্টেন্ট, আর যেসব ভিডিও দেখি সেগুলো হলো ভিডিও কন্টেন্ট এবং যেগুলো অডিও শুনে থাকি তা হলো অডিও কন্টেন্ট।

বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম

একটি ভাল মানে র আর্টিকেল লেখার জন্য বেশ কিছু বিষয় মাথায় রেখে তারপর আর্টিকেল লিখতে হয়। আপনি চাইলেই এখনি একটা আর্টিকেল হয়তো লিখতে ফেলতে পারবেন না। কিন্তু আপনি যদি সত্যি সত্যি লিখতে চান তবে আপনি লিখতে পারবেন। তবে সেটার জন্য দরকার চেষ্টা করা, লেখার কলাকৌশলগুলো আয়ত্ব করা। আপনি প্রাক্টিস করার মাধ্যমে আর্টিকেল লেখার কলা কোশল শিখে ভাল মানের একজন আর্টিকেল রাইটার হতে পারেন।

যদিও ব্যক্তি ভেদে একেকজনের লেখার কৌশল এবং স্টাইল একেক রকম। তবুও ব্যসিক বিষয়গুলো একই। আপনি যদি কন্টেন্ট রাইটিংএ একেবারে নতুনও হয়ে থাকেন তাহলে নিচের স্টেপগুলো ফলো করার মাধ্যমে একজন ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটার হতে পারবেন বলে আশা রাখি।

আর্টিকেল এর বিষয় নির্বাচন

একটি আকর্ষণীয় ব্লগ পোস্ট লিখতে হলে আপনাকে অবশ্যই লেখার বিষয় নির্বাচন করতে হবে। বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রথম প্রথম আপনার ভালোলাগাকে প্রাধান্য দিন। মানে হলো আপনার কি ভাল লাগে? আপনি কি বিষয়ে ভাল জানেন? আপনার কি নিয়ে ভাবতে ভাল লাগে? আপনার কোন কোন বিষয় নিয়ে রিসার্চ করতে এবং ঘাটঘাটি করতে ভাল লাগে? এমনই একটি ভালো লাগা এবং জানা বিষয়ে লিখুন। তাহলে আপনার লেখাটি দ্রুত এবং সুন্দর হবে। যদিও আপনি যেকোন বিষয়েই লিখতে পারেন তবে আপনি জানেন না এমন বিষয়ে প্রথমেই লিখতে গেলে আপনার রিসার্চ করতে করতে অনেক সময় কেটে যাবে যার কারণে আপনার ভেতরে বোরিং ভাব চলে আসবে এবং একসময় হয়তো লেখলেখির ইচ্ছা বাদ দিবেন। তাই জানা শোনা বিষয়ে লেখার চেষ্টা করুন।

আর জানেন না এমন বিষয়েও আপনি লিখতে পারবেন। তবে সে জন্য আপনাকে আগে ঐ বিষয়ে প্রচুর ঘাটঘাটি করতে হবে, রিসার্চ করতে হবে তারপর লিখতে হবে। বিষয় নির্বাচন কি, আশা করছি বুঝতে পারছেন।

পাঠকের প্রয়োজনীতার কথা মাথায় রাখুন

আর্টিকেল লেখার সময় কথা অবশ্যই মাথায় রেখে আর্টিকেল রচনা করতে হবে। কারণ হলো আপনি আর্টিকেলটি যাদের জন্য লিখছেন তারা এ থেকে কিছু না শিখতে পারলে বা জানতে পারলে আপনার রচনার কোনো মূল্য নাই। বিষয় নির্বাচন করার পরপরই আপনাকে ভাবতে হবে আপনি যাদের জন্য এই আর্টিকেলটি লিখছেন তারা আসলএ এই আর্টিকেলের মাধ্যমে কি জেনে নিতে চাচ্ছেন। আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্সরা আপনার লিখিত আর্টকেল দ্বারা উপকৃত হলে তারা আপনারা নিয়মিত ভিজিটর এবং কাস্টমারে পরিনত হবে।

এজন্য আপনাকে লেখার শুরুতেই রিসার্চ করতে হবে লোকেরা আসলে কি খুজছে, কি জানতে চাইছে, শিখতে চাইছে। আপনি যদি এই বিষয়গুলি মাথায় রেখে কন্টেন্ট লিখেন তাহলে আপনার লেখার উদ্দেশ্য খুব সহজেই পূরণ হবে। চেষ্টা করবেন সব সময় সঠিক এবং অধিক তথ্যপূর্ণ দিতে। তবে আপনি যে বিষয়ে লিখছেন সে বিষয়েই তথ্য দিতে চেষ্টা করবেন। অপ্রাসঙ্গিক তথ্য দিয়ে লেখার সাইজ বড় করবেন না। কারণ একজন পাঠক অধিক পরিমাণে তথ্য জেনে নিতে চান তবে তিনি যে বিষয়টি জানতে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়তে আসছে তার বাইরে অন্য তথ্য থাকলে সে বিরক্ত হবে এবং পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

গবেষণা করা

হতে পারেন আপনি খুব ভালো মানের একজন লেখক, ব্লগার বা এ এই সেই যেকোন কিছু তাই বলে যে আপনি দুনিয়ার সব কিছু জানেন বিষয়টা কিন্তু এরকম না। সব মানুষই কোন না কোন বিষয়ে অভিজ্ঞ তাই বলে সে সব অভিজ্ঞ হবেন না এটাই স্বাভাবিক। তাই আপনি লিখতে গেলেও দেখবেন অনেক বিষয় আপনার অজানা, জানেন না বা জানেলেও সঠিক জানেন না। তখন কি করবেন? তখন আপনাকে যা জানেন না সে বিষয়ে কিছুটা পড়াশোনা করতে হবে। এটাই লেখালেখি করার গোপন কৌশল। দুনিয়ায় যত বড় আর বিখ্যাত লেখক আছেন তারা সবাই এই কৌশলটাই অবলম্বন করেন। লিখতে চাইলে আপনাকেও এটাই করতে হবে। Article writing bangla triks

লেখার আগে তাই অবশ্যই নিজে নিজে কিছুটা পড়াশোনা করুন। যেকোন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের জন্য বর্তমানে বেশ কিছু বিশ্বাসি ওয়েবসাইট আছে। এর মধ্যে থেকে উইকিপিডিয়া সেরা।

কিভাবে একটি সেরা আর্টিকেল লিখতে হয় – (কনটেন্ট রাইটিং টিপস)

Article writing bangla tutorial: যদি আপনি ব্লগিং করে ব্লগ থেকে টাকা আয় করার কথা ভাবছেন, তাহলে সঠিক ভাবে আর্টিকেল লেখার কৌশল আপনার জানা থাকতে হবে

একটি প্রফেশনাল ও সেরা আর্টিকেল লেখার নিয়ম ও কৌশল কেবল এক দিনেই আপনি শিখতে পারবেননা।

এই ক্ষেত্রে, কিছু সময় অবশই লাগবে।

একটি লক্ষবস্তু (targeted), স্পষ্ট এবং আকর্ষণীয় কনটেন্ট যেটা প্রত্যেকেই পছন্দ করবেন, লেখার মূলত ৯ টি নিয়ম রয়েছে।

এবং, এই আর্টিকেল লেখার নিয়ম গুলো জেনে রাখলে, আপনার লেখা কনটেন্ট ও আর্টিকেল গুলো, লোকেরা কিন্তু অবশই পছন্দ করবেন।

তাহলে চলুন, নিচে আমরা সেই “কনটেন্ট রাইটিং টিপস” গুলো জেনেনেই, যেগুলোর মাধ্যমে একটি “সেরা আর্টিকেল লেখার কৌশল” গুলো শিখতে পারবেন।

(How to write perfect articles ? article writing tips in bangla)

কিভাবে একটি সেরা আর্টিকেল লিখতে হয় (আর্টিকেল লেখার কৌশল)

হতে পারে, আপনি ইংরেজি অথবা বাংলা আর্টিকেল লিখছেন, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই আর্টিকেল লেখার এই নিয়ম গুলো এক থাকবে।

তাছাড়া, একটি সেরা ও আকর্ষণীয় কনটেন্ট লেখার নিয়ম গুলো প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রেই আলাদা আলাদা হতে পারে।

এই আর্টিকেলে আমি আমার নিজের ব্যক্তিগত অনুভব ও অভিজ্ঞতার হিসেবে আপনাদের, “কনটেন্ট রাইটিং টিপস” গুলোর বিষয়ে বলছি। Article writing bangla triks

Professional article writing tips & tutorial in Bangla

যখন কথা আসছে, নিজের লেখা আর্টিকেলের কোয়ালিটি উন্নত করার, তখন “reading” আপনার অনেক সাহায্য করবে।

৭৫% লোকেদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে, যারা খুব “বই পড়েন“, তাদের লেখা কনটেন্ট অনেক আকর্ষণীয় এবং উন্নত মানের হয়ে থাকে।

আর তাই, blogging, freelancing বা যেকোনো ক্ষেত্রে, সেরা আর্টিকেল লেখার আইডিয়া আপনি অধিক বই পড়ে নিতে পারবেন।

ইন্টারনেটে অনেক ধরণের পিডিএফ বই ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট রয়েছে।

এই ওয়েবসাইট গুলোর থেকে e-book ডাউনলোড করে নিজের মোবাইলেই বই পড়তে পারবেন।

চলুন নিচে আমরা, “কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয়” তার সঠিক নিয়ম ও কৌশল গুলো এক এক করে জেনেনেই।

১. Pick your article topic Article writing bangla triks

হে, আমি অবশই জানি যে, আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে একটি টপিক বা বিষয় বেছে নেওয়াটা স্বাভাবিক।

তবে, নিজের আর্টিকেলের বিষয়টি (topic) সব সময় এমন রাখবেন, যেটার বিষয়ে আপনার প্রচুর অভিজ্ঞতা রয়েছে।

কারণ, আর্টিকেলের ক্ষেত্রে আপনার সেই সম্পূর্ণ বিষয়টি নিয়ে অনেক তথ্য দিতে হয়।

তাই, যদি topic এর সাথে জড়িত জ্ঞান আপনার না থাকে, তাহলে একটি সেরা আর্টিকেল লেখার ব্যাপারটা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

তবে, আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে যেই topic বা subject বেছে নিচ্ছেন, সেটা যাতে আপনার জানার মধ্যেই থাকে।

এতে, বিষয়টি আপনি নিজের মতো করে সহজ সরল এবং আত্মবিশ্বাসী (confident) হয়ে লিখতে পারবেন।

আর, “self-confident” থাকলে আপনার আর্টিকেল এমনিতে ভালো হওয়ার সুযোগ থাকছে।

২. Address your audience needs

একটি ভালো আর্টিকেল লিখার জন্য, আপনার প্রথমে নিজের শ্রোতাদের বিষয়ে ভাবতে হবে।

কারণ, আপনি কেবল তাদের জন্য আর্টিকেলটি লিখছেন।

আর তাই, আপনার শ্রোতা (audience) আপনার আর্টিকেলের মাধ্যমে কি জেনেনিতে চাচ্ছেন, সেটার ধ্যান আপনার রাখতেই হবে। Article writing bangla triks

আপনার শ্রোতারা যেই বিষয়ে তথ্য জেনে নিতে চাচ্ছেন, সরা সরি ভাবে কেবল সেই বিষয়ে লিখুন।

এনাহলে, আর্টিকেল পড়ার সময় লোকেদের রুচি থাকবেনা।

তাই, যেই বিষয়টিকে লক্ষ্য করে আর্টিকেল লিখছেন, সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি কেবল সেই বিষয়ের সাথেই সংযুক্ত (connect) করে রাখবেন।

মনে রাখবেন, শ্রোতারা (audience) অধিক বেশি তথ্য অবশই জেনে নিতে চান, তবে প্রয়োজনের বাইরের তথ্য তাদের কোনো কাজে আসেনা।

তাই, আপনার লিখা আর্টিকেল ৫০০ ওয়ার্ড এর হোক কি ৫০০০ ওয়ার্ড এর, সেটা ম্যাটার (matter) করছেনা।

কিন্তু হে, আপনি কতটা ভালো করে শ্রোতাদের প্রশ্নের উত্তর ও সমাধান আর্টিকেলের মাধ্যমে দিতে পারছেন, সেটাই কিন্তু আসল ব্যাপার। Article writing bangla triks

৩. Research (গবেষণা করাটা জরুরি)

হতে পারে আপনি একজন professional blogger বা professional freelancer, কিন্তু এর মানে এটা নয় যে আপনি সব কিছুই জানেন.

অনেক সময় অনেক বিষয়ে আমাদের কেবল কিছু সাধারণ জ্ঞান অবশই থাকে, তবে কিন্তু বিস্তারিত তথ্য থাকেনা।

আর, কেবল কিছু সাধারণ জ্ঞান এর সাহায্যে আপনি লোকেদের পছন্দের একটি সেরা আর্টিকেল লিখতে পারবেননা।

এই ক্ষেত্রে, আপনার করতে হবে (research)

হে, যেকোনো বিষয়ে আর্টিকেল লিখার আগেই অল্প রিসার্চ বা গবেষণা করে নেওয়াটা অনেক জরুরি।

এতে, টপিক বা বিষয়টি নিয়ে আপনি নতুন তথ্যের খোঁজ করতে পারবেন।

এবং, গবেষণার (research) মাধ্যমে খুঁজে বের করা নতুন তথ্য গুলো নিজের আর্টিকেলে প্রকাশ করতে পারবেন।

এতে, আপনার আর্টিকেলের ওপরে শ্রোতাদের প্রচুর রুচি থাকবে।

কারণ, তারা আর্টিকেলের বিষয়ের সাথে জড়িত সম্পূর্ণ কাজের ও লাভজনক তথ্য একসাথেই পেয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে ইন্টারনেটে অনেক ভালো ভালো ও বিস্বাসী ওয়েবসাইট কিছু রয়েছে, যেগুলোর থেকে যেকোনো বিষয়ে সঠিক ও সম্পূর্ণ তথ্য পেতে পারবেন। Article writing bangla triks

৪. Make points to cover

সেরা আর্টিকেল রাইটিং টিপস গুলোর মধ্যে সব থেকে জরুরি টিপস (tips) হলো, সম্পূর্ণ আর্টিকেলে কোন কোন বিষয় নিয়ে কথা বলবেন সেই পয়েন্টস (points) গুলো বানিয়ে নেওয়া।

এতে, আপনি পয়েন্ট গুলোর হিসেবে research এবং তথ্য গ্রহণ করে রাখতে পারবেন।

আর, আর্টিকেলটি লিখতেও আপনার প্রচুর সুবিধে হবে।

কারণ, আপনি আগের থেকেই নিশ্চিত থাকছেন যে কোন কোন বিষয়ে আপনি তথ্য গুলি বিস্তারিত ভাবে প্রকাশ করবেন।

এর ফলে, আপনি ভালো মানের কন্টেন লিখতে পারবেন।

তাছাড়া, যেকোনো টপিকে বিভিন্ন পয়েন্ট ও আলাদা আলাদা বিষয় নিয়ে কথা বললে, শ্রোতারা অধিক ভালো ও সুবিধাজনক ভাবে তথ্য গ্রহণ করতে পারবেন।

উদাহরণ স্বরূপে,

যদি আপনি “SEO bangla tutorial” বিষয়টি নিয়ে আর্টিকেল লেখার কথা ভাবছেন, তাহলে আপনি আগের থেকেই কি কি পয়েন্ট এর ওপরে তথ্য প্রকাশ করবেন সেটা ভেবে রাখতে হবে।

যেমন, আমার ক্ষেত্রে আমি কোন কোন পয়েন্ট এ কথা বলতে পারি –

  • এসইও মানে কি ?
  • কেন করবেন এসইও ?
  • SEO র কয়টি প্রকার ও কি কি ?
  • অন পেজ এসইও অপটিমাইজেশন কি ?
  • অফ পেজ এসইও কি ?

এভাবে, আর্টিকেলের টপিক এর সাথে জড়িত বিভিন্ন বিষয় গুলো নিয়ে ভেঙে বিস্তারিত ভাবে পয়েন্ট হিসেবে লিখলে, একটি উচ্চমানের আর্টিকেলের প্রকাশ প্রায়।

কারণ, এতে আপনার রিডাররা (reader) সহজে এবং সুবিধাজনক ভাবে আর্টিকেলের তথ্য ও বিষয় গুলো সম্পূর্ণটা বুঝতে পারেন। Article writing bangla triks

৫. Use Article Introduction

অবশই মনে রাখবেন, প্রত্যেকটি আর্টিকেলের একটি “intro” লেখাটা অনেক জরুরি।

Intro বা introduction, একটি আর্টিকেলে প্রথম ২০০-৩০০ টি শব্দের ভেতরে লেখা হয়।

এবং, সেই ২০০-৩০০ শব্দের ভেতরে আপনার শ্রোতাদের (audience) আর্টিকেলের বিষয়টি বুঝিয়ে বলতে হবে।

মনে রাখবেন, আর্টিকেলের আকর্ষণীয় “introduction” এর মাধ্যমে, আপনি আপনার শ্রোতাদের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য আগ্রহী করে তুলতে পারবেন।

কারণ, আপনার আর্টিকেলের সেই প্রথম ২০০ থেকে ৩০০ টি শব্দ শ্রোতারা প্রথমেই পড়বেন।

এবং, যদি আপনার article intro আকর্ষণীয় (interesting) হয়ে থাকে, তাহলে শ্রোতারা অবশই সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ার রুচি রাখবেন।

তাই, নিজের আর্টিকেলের introduction ভাগে, আর্টিকেলের বিষয়ের সাথে জড়িত আপনার পিভিজ্ঞতা, গল্প, জরুরি তথ্য, শ্রোতারা কি শিখতে পারবেন, আর্টিকেলটি পড়ে তাদের কি লাভ হবে, এই ধরণের জিনিস গুলোর লিখতে হবে।

৬. Write Compelling Headlines

Headline বা headings, প্রত্যেক আর্টিকেলে কম বেশি পরিমানে ব্যবহার করা হয়।

তবে, অনেকেই headline ব্যবহার করার লাভ গুলো জানেননা।

একটি স্পষ্ট, সুন্দর ও আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখার ক্ষেত্রে বিভিন্ন H tags যেমন “H1, H2, H3, H4, H5” ব্যবহার করাটা অনেক বেশি জরুরি। Article writing bangla triks

Headline, সাধারণ লেখার থেকে আকারে বড় হয় এবং এর মাধ্যমে, শ্রোতারাদের আকর্ষণ নিয়ে আশা হয়।

শ্রোতারা বুঝতে পারেন যে, আপনি আর্টিকেলের বিভিন্ন ভাগে কোন বিষয়গুলো লক্ষ্য করে কনটেন্ট লিখছেন।

তাছাড়া, “headline” এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।

এতে, রিডাররা সম্পূর্ণ কনটেন্টটি খুব সহজে এবং স্পষ্ট ভাবে পড়তে পারেন।

আর তাই, আর্টিকেলের বিভিন্ন ভাগে আকর্ষণীয় heading (H1, H2, H3, H4…….) ব্যবহার অবশই করবেন।

এছাড়া, হেডিং গুলো এভাবে লিখবেন, Article writing bangla triks

আপনি আমার ব্লগের আর্টিকেল গুলো পড়লেই দেখতে পারবেন, কিভাবে আমি কিছু কনটেন্ট লিখার পর একটি করে heading ব্যবহার করি। Article writing bangla triks

৭. Shorter Paragraphs

মনে রাখবেন, একটি সেরা কোয়ালিটির, আকর্ষণীয় এবং নিপুন আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে আপনার একটি বিশেষ বিষয়ে ধ্যান রাখতেই হবে।

সেটা হলো, ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ (paragraph) করে আর্টিকেল লিখা।

আপনি প্রত্যেক সেরা blog গুলোতে গিয়ে দেখতে পারেন।

তারা, নিজের আর্টিকেল গুলো ছোট প্যারাগ্রাফ করে লিখেন।

আর্টিকেল লেখার এই নিয়ম আপনার অবশই ব্যবহার করা উচিত।

কেননা, আর্টিকেল রাইটিং টিপস গুলোর মধ্যে এই প্রক্রিয়া প্রত্যেকেই ব্যবহার করছেন।

এতে, আপনার শ্রোতারা স্পষ্ট ভাবে আপনার আর্টিকেল পড়তে পারবেন।

কিন্তু, বড় বড় প্যারাগ্রাফ করে আর্টিকেল লিখলে, রিডাররা প্রচুর বিরক্তি পান এবং যার ফলে তারা সম্পূর্ণ আর্টিকেল না পড়েই যান গিয়ে।

তাই, আপনার আর্টিকেল পড়া রিডাররা যাতে স্পষ্ট এবং সুবিধাজনক আর্টিকেলটি পড়তে পারেন, এই ক্ষেত্রে ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ করে লিখবেন।

৮. Add related images to article

এখন, একটি আর্টিকেল আকর্ষণীয় এবং মজাদার (interesting) করে তোলার জন্য তাতে রিলেটেড ছবি অবশই যোগ করতে হবে।

তাছাড়া, আর্টিকেলে যোগ করা ছবির মাধ্যমে, শ্রোতাদের বিভিন্ন পয়েন্ট গুলো সহজেই বুঝিয়ে দিতে পারবেন।

সেই কথা রয়েছে না, “একটি ছবি ১০০০ টি শব্দের সমান“.

তাই, কন্টেন্টের বিভিন্ন অংশতে প্রয়োজনীয় ও রিলেটেড ছবি যোগ করাটা অনেক জরুরি।

ছবির মাধ্যমে, রিডাররা কনটেন্ট এর বিষয় গুলো সহজে ও স্পষ্ট করে বুঝতে পারবেন।

৯. Use Bullet Points & Numbers

আপনার লেখা আর্টিকেলের বিভিন্ন অংশতে “bullet points” এবং “numbered list” অবশই ব্যবহার করবেন।

এতে, আর্টিকেলের বিশেষ পয়েন্ট গুলো বুঝতে সুবিধে হয় এবং আর্টিকেলটির প্রতি আকর্ষণ বাড়ে।

তাই, শ্রোতারা যতটা বেশি ভালো করে ও সহজ ভাবে আপনার আর্টিকেলের বিষয় গুলো বুঝতে পারবেন, ততটাই বেশি নিপুন, উচ্চমানের ও ভালো হবে সেই আর্টিকেল।

Article writing bangla triks

তাই, যদি আপনি ব্লগে আর্টিকেল লিখছেন, তাহলে বিশেষ points গুলো বোঝানোর জন্য “bullet points” এবং “numbered list” ব্যবহার অবশই করবেন।

আমরা আজকে কি শিখলাম ?

তো বন্ধুরা, আজকে আমরা সেরা ও নিপুন আর্টিকেল লেখার নিয়ম কিছু শিখলাম। (article writing tutorial in bangla).

কিছু দিন থেকেই আমি অনেক ইমেইল গ্রহণ করছিলাম যেখানে “কিভাবে একটি আর্টিকেল লিখতে হয়” এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল।

তাই, আজকের এই পোস্ট পড়ে আপনারা আর্টিকেল রাইটিং এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম গুলো অবশই জেনে গেছেন।

মনে রাখবেন, ওপরে বলা প্রত্যেকটি কনটেন্ট রাইটিং টিপস গুলো আপনার অভ্যাস করতে হবে।

যতটা সম্ভব লিখুন এবং যেভাবে বলেছি সেভাবে লিখার চেষ্টা রাখুন।

এতে, আপনার কনটেন্ট রাইটিং এর কৌশল উন্নত হতে থাকবে।

পয়েন্ট তৈরি করা

আপনি যে বিষয়ে একটি আর্টিকেল লিখতে যাচ্ছেন সে বিষয়ের উপরে আগে থাকতেই কিছু পয়েন্ট তৈরি করে রাখুন। এতে করে আপনার লিখতে সুবিধা হবে। আর আপনি কি কি বিষয়ে লিখতে যাচ্ছেন সে বিষয়ে আগে থাকতে ভেবে নেয়ার সময় পাবেন। এত করে আপনার লেখার মান ভালো হবে। Article writing bangla triks

আর বিভিন্ন টপিক ধরে লিখলে পাঠকরা পয়েন্ট ধরে ধরে বিভিন্ন বিষয়গুলো জেনে নিতে পারবে। এতে করে আপনার লেখাটি পাঠকরা ভালো ভাবে গ্রহন করবে।

তাহলে আর্টিকেল লেখার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানলেন। যদি আমি কোন বিষয় মিস করে থাকি অথবা আপনি আরো কিছু জানতে চান তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানান। Article writing bangla triks

পরিশেষে বলতে চাই আপনি যদি একেবারেই আর্টিকেল লিখতে না পারেন তাহলে হতাশ হবেন না। আর্টিকেল রাইটার হায়ার করুন। যা আপনার সাইট গ্রো করতে সাহায্য করবে। ব্লগিং করতে হলে পুর কন্টেন্ট নিয়ে সাইট রান করে কখনো ভাল ইনকাম করতে পারবেন না। যা আমি পারিনা আমাকে দিয়ে সম্ভব না তা নিয়ে সময় নষ্ট করেবন না। বরং সময় টা আপনি অন্য দিকে কাজে লাগান। Article writing bangla triks

1 thought on “আর্টিকেল লেখার নিয়ম: কন্টেন্ট রাইটিং টিপস Article writing bangla triks”

  1. Hi there!

    We’re reaching out to see if you’d be interested in featuring a high-quality article on your blog. We think your readers would love it!

    If you’re interested, please let us know and we’ll send over the article for your review.

    Thank you for your time and we hope to hear from you soon!

    Sincerely,
    Scott Lee

    Reply

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.